সেই তাসনিয়ার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী তাসনিয়া হকের পরিবারকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিহত তাসনিয়ার ছোট ভাই তাহসিন আব্দুল্লাহ এবং বাবা নাজমুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দুর্ঘটনায় হতাহত পরিবারের ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, কয়েকদিন আগে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাহসিন আব্দুল্লাহর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তাহসিনের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বুধবারের সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তাহসিনের পড়াশোনা, মানসিক অবস্থা এবং পারিবারিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর পরিবারের বর্তমান অবস্থাও জানতে চান বলে বিএনপির মিডিয়া সেলের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে তাসনিয়ার বাবা নাজমুল হক মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন দাবিসংবলিত একটি লিখিত আবেদনও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
বিজ্ঞাপন
নাজমুল হক গণমাধ্যমকে জানান, তিনি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পক্ষে ক্ষতিপূরণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এনেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংঘটিত বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেখানে দুর্ঘটনার কারণ, তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য এবং হতাহত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সেই প্রতিবেদনে নিহত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিয়া হকের পরিবারের বক্তব্যও স্থান পায়।
দুর্ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং দায় নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাসনিয়ার পরিবারের এই সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবার যেন ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।








