শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন, ১২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব

তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ তালিকায় মন্ডল, এনভয় ও নিপা গ্রুপসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক এবং সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নাম রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পোশাকশিল্পে শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন ছিল কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। বিশেষ করে আন্দোলনের নামে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছে কি না, সেটি তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
রাজস্ব বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, ১২টি শিল্পগ্রুপের মালিকের বিরুদ্ধে শ্রমিক আন্দোলনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সিপাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু মুনশি, যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলবের তালিকায় আরও রয়েছেন এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী, রেনেসাঁ গ্রুপের মালিক ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং হামিদ গ্রুপের মালিক ও সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া ফেবিয়ান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুস ছালাম এবং নিপা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর নামও রয়েছে।
তালিকায় আরও আছেন অ্যাক্সিস নিটওয়্যারস লিমিটেডের পরিচালক জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম মোশাররফ হোসেন এবং গিভেন্সি গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুমা খাতুন লিপা।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুর এলাকায় শ্রমিক আন্দোলনে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবও জব্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম।
বিজ্ঞাপন
তবে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবের আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে।








