Logo

এনসিপি ছাড়ছেন আলোচিত নারী নেত্রীরা, নেপথ্যে কী কারণ?

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১৪:২০
এনসিপি ছাড়ছেন আলোচিত নারী নেত্রীরা, নেপথ্যে কী কারণ?
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একাধিক নারী নেত্রীর পদত্যাগ ঘিরে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান, নেতৃত্বের কাঠামো ও অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠন, কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দল ছেড়ে যাওয়া নেত্রীরা।

বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন সামান্তা শারমিন। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দল ছেড়েছিলেন ডা. তাসনিম জারা ও তাজনূভা জাবীন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ নারী নেতৃত্বের ধারাবাহিক পদত্যাগের বিষয়টি দলটির জন্য রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পদত্যাগ করা নেত্রীদের বক্তব্যে কয়েকটি অভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা, দলের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় ধরে রাখার প্রশ্ন, নেতৃত্ব নির্বাচন ও পদ বণ্টনে স্বচ্ছতার অভাব এবং নারীদের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়া।

এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, কেন একের পর এক আলোচিত নারী নেত্রী এনসিপি ছাড়ছেন? দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব এসব অভিযোগ কীভাবে দেখছে? জোটের রাজনীতিতে এনসিপি কি নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখতে পারছে?

বিজ্ঞাপন

দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কৌশলগত বিবেচনা থেকেই জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক দলে নেতাকর্মীদের যোগদান কিংবা পদত্যাগ অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।

যেভাবে শুরু হয় এনসিপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে এনসিপির আলোচনা শুরু হলে দলটির অভ্যন্তরে মতপার্থক্য স্পষ্ট হতে থাকে।

বিজ্ঞাপন

ওই সময় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিবের পদ থেকে সরে দাঁড়ান ডা. তাসনিম জারা। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা জোটের প্রার্থী না হয়ে স্বতন্ত্রভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চান।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

যদিও ওই পোস্টে সরাসরি জামায়াতের নাম উল্লেখ করেননি তিনি, তবে তাঁর পদত্যাগের পর দলটির ভেতরে জামায়াতের সঙ্গে জোট না করার দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে এনসিপির ৩০ নেতা আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়ে জামায়াতের সঙ্গে জোট না করার আহ্বান জানান। এর পরদিনই যুগ্ম আহ্বায়কের পদ ছাড়েন তাজনূভা জাবীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জোট গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে নিজের আপত্তির কথা তুলে ধরেন।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনের পর প্রায় নয় মাসের মাথায় এবার পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন। ফেসবুকে দেওয়া ঘোষণায় তিনি জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধতা, দলীয় নীতির পরিবর্তন এবং কাউন্সিল ছাড়াই কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়গুলোকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এক বছর আগে জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন সামান্তা। তখন তাঁর বক্তব্য ছিল, নীতিগত কিংবা কৌশলগত কোনো বিবেচনাতেই জামায়াতে ইসলামী এনসিপির উপযুক্ত রাজনৈতিক মিত্র নয়। এই জোটের কারণে নতুন দলটিকে বড় ধরনের রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে বলেও সতর্ক করেছিলেন তিনি।

সর্বশেষ পদত্যাগের ঘোষণাতেও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন সামান্তা। তাঁর অভিযোগ, নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট না থাকায় জামায়াতের প্রভাবের মধ্যে এনসিপির স্বতন্ত্র পরিচয় দুর্বল হয়ে পড়ছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি লিখেছেন, "এনসিপির নিজস্ব ও রাজনৈতিক লাইন স্পষ্ট না থাকায় জামায়াতের মধ্যে এনসিপিকে হারিয়ে যেতে হচ্ছে এবং জামায়াতের জন্য নানান ইস্যুতে প্রতিক্রিয়ামূলক ও সহায়ক ভূমিকা নিতে হচ্ছে।"

নারীর নেতৃত্ব ও অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়ে অসন্তোষ

সামান্তা শারমিনের পদত্যাগের পেছনে শুধু জোটনীতি নয়, দল পরিচালনার কাঠামো নিয়েও অসন্তোষের বিষয়টি সামনে এসেছে। তাঁর মতে, এনসিপির সামনে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার সুযোগ ছিল। কিন্তু দলটি সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। শুধু নারীদের সদস্য করা নয়, গুরুত্বপূর্ণ পদ, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন, "দল চাইলে নারী-পুরুষের সমতার ভিত্তিতে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারত। সে জন্য শুধু নারীদের দলে অন্তর্ভুক্ত করাই যথেষ্ট না; সংখ্যা, নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সাংগঠনিক ক্ষমতায় তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এনসিপি সেই পথ বেছে নেয়নি বরং দলটির ভূমিকা নারীবিরোধী রক্ষণশীল রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলে গেছে"।

দলের কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াও তাঁর অসন্তোষের অন্যতম কারণ। গত ২৩ অক্টোবর কোনো সম্মেলন বা কাউন্সিল ছাড়াই আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পরিবর্তন এনে নতুন কমিটি প্রকাশ করে এনসিপি।

নতুন কমিটিতে কয়েকজন নেতাকে উচ্চতর পদে উন্নীত করা হলেও অন্যদের দায়িত্ব কমানো হয়। আগের কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে নতুন কাঠামোয় যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের একজন হিসেবে পরিচিত সামান্তা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের উদ্যোগে এনসিপি গঠিত হলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পান।

কাউন্সিল ছাড়া এভাবে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্তকে পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর চর্চার সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, কোন যোগ্যতা ও মানদণ্ডের ভিত্তিতে নেতাদের পদ নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কেন প্রকাশ করা হয়নি।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, "যারাই বিভিন্ন পোস্ট পদবিতে আছেন তারা আসলে কেন সেখানে গেছেন। এমনও তো হতে পারে যে যারা সদস্য, তাদের মধ্যে কেউ যুগ্ম সদস্য সচিব হওয়ার যোগ্য ছিল? কোনো কিছুই আসলে পরিষ্কার না।"

বিজ্ঞাপন

জোটের সিদ্ধান্তকে কৌশলগত বলছে এনসিপি

এনসিপি গঠনের তিন বছরেরও কম সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন নারী নেত্রীর পদত্যাগ এবং কাউন্সিল ছাড়াই কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বিশেষ করে জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের পর নতুন দলটি নিজেদের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তবে এনসিপির শীর্ষ নেতারা এসব সমালোচনার সঙ্গে একমত নন। তাঁদের দাবি, জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠন ছিল রাজনৈতিক বাস্তবতার বিবেচনায় নেওয়া একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। এর ফলে এনসিপির নিজস্ব আদর্শ বা রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তিত হয়নি।

দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া মনে করেন, রাজনৈতিক দলে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কোনো সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত না হলে কেউ দল ছাড়তে পারেন, আবার নতুন সদস্যও যুক্ত হতে পারেন।

সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জোট গঠনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই দলের একটি অংশের মধ্যে আপত্তি ছিল। সেই অংশের নেতাদের কেউ কেউ বিভিন্ন সময়ে পদত্যাগ করেছেন।

গণমাধ্যমকে আসিফ মাহমুদ বলেন, "জোটের সিদ্ধান্তের পর থেকে পার্টির একটা অংশের এটা নিয়ে আপত্তি ছিল। বিভিন্ন সময় তাদের অনেকেই আসলে পদত্যাগ করেছেন। তাদের এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।"

নিষ্ক্রিয় ছিলেন সামান্তা, দাবি মনিরা শারমিনের

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের দাবি, জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্তে মতবিরোধ থাকায় সামান্তা শারমিন দীর্ঘদিন ধরেই দলের কার্যক্রমে অনেকটা নিষ্ক্রিয় ছিলেন।

তাঁর বক্তব্য, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি। তবে এর ফলে দলটির মধ্যে জামায়াতের প্রভাব বেড়েছে কিংবা এনসিপি জামায়াতিকরণের দিকে যাচ্ছে—এমন অভিযোগ সঠিক নয়।

জোটের রাজনৈতিক ভিত্তি ব্যাখ্যা করে মনিরা শারমিন বলেন, "সংস্কার এবং বিচার এই দুইটি বিষয়ে আমাদের মাঠে একটি ঐক্য দরকার। সংসদে দেখবেন সংস্কার এবং বিচারের প্রসঙ্গে আমাদের ঐক্য আছে, কিন্তু বিভিন্ন বিলে কিন্তু আমরা আমাদের অবস্থান নিয়েছি"।

আরও পড়ুন

তাঁর দাবি, নিজস্ব কর্মসূচি ও রাজনৈতিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এনসিপি স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রেখেছে। জোটের সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক বাস্তবতা হিসেবে মেনে নিয়েই দলকে সামনে এগিয়ে নিতে হচ্ছে।

মনিরা শারমিন বলেন, "জোটটা আমাদের একটা রিয়্যালিটি। দল এগিয়ে নিতে আসলে আমাদের একটু সময় লাগবে। এখন আমাদের নেতৃত্বের পুরো নজর পার্টির দিকে।"

নারী নেতৃত্ব সংকুচিত হওয়ার অভিযোগও নাকচ করেছেন তিনি। তাঁর মতে, নির্বাচনের পরও অনেক নারী এনসিপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। যারা দল ছেড়েছেন, তাঁদের অনেকেই আগে থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, "দলে এমন অনেক নারী নেতৃত্ব আছেন একদম তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। আমাদের যে কজনকে মানুষ চেনে তাদেরই যদি কেবল এখানে ধরা হয় তাহলে এটা ভুল হবে, তৃণমূলেও তো অনেক নারী নেতৃত্ব আছে।"

কমিটি পুনর্গঠনে অনিয়মের অভিযোগ মানতে নারাজ নেতৃত্ব

এনসিপির কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে সামান্তা শারমিনের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তাঁর বক্তব্য, সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি ফিরিয়ে আনতেই কমিটিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের কাঠামোয় অনেক পদ কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছিল এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন নেতা বিভিন্ন কারণে সক্রিয় ছিলেন না।

আসিফ মাহমুদ বলেন, "আহ্বায়ক কমিটি যেকোনো সময় পুনর্গঠিত হতে পারে। এর আগেও এভাবে কমিটি হয়েছে। অনেকগুলো পদ অকার্যকর পর্যায়ে ছিল। দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা বিভিন্ন কারণে সক্রিয় ছিলেন না।"

তবে নতুন কমিটি স্থায়ী কাঠামো নয় বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে কাউন্সিল আয়োজনের মাধ্যমে এনসিপির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।

সব মিলিয়ে এনসিপি থেকে একাধিক পরিচিত নারী নেত্রীর সরে দাঁড়ানোর ঘটনায় দলটির জোটনীতি, নেতৃত্বের স্বচ্ছতা এবং নারী প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন সামনে এসেছে। পদত্যাগী নেত্রীরা দলটির রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরলেও বর্তমান নেতৃত্ব জোটের সিদ্ধান্তকে কৌশলগত বাস্তবতা হিসেবে দেখছে। এখন কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব পুনর্গঠন এবং দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভিন্নমতের অংশগ্রহণ কতটা নিশ্চিত হয়, তার ওপর এনসিপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান অনেকটাই নির্ভর করবে।

তথ্য সূত্র : বিবিসি বাংলা

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD