অতি ভারি বর্ষণে শাহ আমানতে নামতে পারেনি ৩ ফ্লাইট

টানা অতি ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে দেশি-বিদেশি তিনটি ফ্লাইট অবতরণ করতে পারেনি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুটি আন্তর্জাতিক এবং একটি অভ্যন্তরীণ রুটের উড়োজাহাজকে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অতি ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে নির্ধারিত সময়ে তিনটি ফ্লাইট চট্টগ্রামে নামতে ব্যর্থ হয়।
তিনটির মধ্যে আবুধাবি থেকে চট্টগ্রাম আসা ‘ইউএস বাংলার বিএস ৩৫০’ ও শারজাহ থেকে চট্টগ্রাম আসা ‘এয়ার এরাবিয়ার জি ৯- ৫২৬ ফ্লাইট’ দুইটি চট্টগ্রাম নামতে না পেরে ঢাকায় অবতরণ করে।
তিনি জানান, এছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী অভ্যন্তরীষ রুটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি ১২১ ফ্লাইটটি পুনরায় ঢাকায় ফিরে গেছে। এদিকে বিমান অবতরণ করতে না পারলেও চট্টগ্রাম থেকে সবগুলো বিমানের যাত্রা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এর আগে, রবিবার (৫ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সোমবার অতি ভারি বর্ষণে রূপ নেয়। সোমবার দিনভর বৃষ্টির পর রাতে থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত হচ্ছে মুষলধারে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এতে নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, সিডিএ আবাসিক এলাকা, কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, হালিশহর কে ও এল ব্লক, রামপুর, তিন পোলের মাথা, বাটালি রোডসহ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। সড়কে রিকশা ছাড়া অন্য যানবাহনের সংখ্যা দেখা গেছে খুবই কম। নগরীর কয়েকটি স্কুলের ক্লাস ও পরীক্ষা ‘বৈরী আবহাওয়ার’ কারণে স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টায় ১ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে হালকা বৃষ্টিপাত বলা হয়। ১১ থেকে ২২ মিলিমিটার হলে তা মাঝারি বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে সেটিকে ভারি বৃষ্টিপাত ধরা হয়। ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তা অতি ভারি বর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসাবে, চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত অতি ভারি বর্ষণের পর্যায়ে পড়েছে।








