আজ নয়, পিছিয়েছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারিত দিনেও প্রকাশ করা হচ্ছে না। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ফল প্রকাশের কথা থাকলেও কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির কাজ সম্পূর্ণ শেষ না হওয়ায় তা স্থগিত রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করেই দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্ধারিত দিনে ফল প্রকাশ সম্ভব হচ্ছে না। তবে ফল প্রস্তুতের বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে অল্প সময়ের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
জানা গেছে, শুরুতে প্রাথমিকভাবে ৯ জুলাই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু ফল চূড়ান্ত করার সব ধাপ শেষ না হওয়ায় নির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করতে হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চলতি বছর দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এবার মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ বৃত্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ বৃত্তি পাবেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা।
বিজ্ঞাপন
বৃত্তিপ্রাপ্তদের দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হবে। একটি হলো ‘ট্যালেন্টপুল’, অন্যটি ‘সাধারণ গ্রেড’। এই দুই ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীরা সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।
২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দেশের অধিকাংশ জেলায় গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। তবে ভৌগোলিক ও বিশেষ পরিস্থিতির কারণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই তিন পার্বত্য জেলায় পৃথক সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের, আর প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের।
বিজ্ঞাপন
ফল প্রকাশে সাময়িক বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা অপেক্ষার সৃষ্টি হলেও শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফলাফলের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতেই সময় নেওয়া হচ্ছে। সব ধরনের যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে।








